অভিজিৎ ব্যানার্জি, ঢাকা: এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণা, বাড়ি ভারা ও অন্যান্য সুবিধা, শতভাগ উ্তসব ভাতা, কল্যাণ অবসরের টাকা দ্রুত উত্তলন এবং চাকরির বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে সচেতন শিক্ষক সমাজ। তারা বৈষম্য নিরসনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ ও ৯ম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তকরণের দাবি নিয়ে গতকাল ৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সচেতন শিক্ষক সমাজ এর আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুল হাকিম, সদস্য মোকলেছুর রহমান, মোল্লা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল হক, আব্দুল আউয়াল, প্রভাষক হাওলাদার আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
তাদের আরও বেশ কিছু দাবিগুলো মধ্যে রয়েছে, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকদের প্রেষণে নিয়োগ বন্ধকরণ; শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষাবোর্ড, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আওয়ামী দোসরদের অপসারণ; স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি না করা; শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির বয়স ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ; এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বদলির ব্যবস্থাকরণ; শতভাগ উৎসব ভাতার ব্যবস্থা ও সরকারি নিয়মে বাড়ি ভাড়া দেওয়া এবং কল্যাণ-অবসরের টাকা দ্রুত দেওয়া দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, এ সরকার বিশ্বাস করে ‘শিক্ষার জন্য ব্যয় অপচয় নয়, বরং উত্তম বিনিয়োগ।’ তাই এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজ মনে করে, শিক্ষার জন্য জিডিপির ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করতে হবে (মোট বাজেটের ২০ শতাংশ) এবং শিক্ষার বৈষম্য নিরসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ওয়াদা পূরণের জন্য অনতিবিলম্বে এমপিওভুক্তদের চাকরি জাতীয়করণ করতে হবে।
তারা বলেন, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় সরকারের কোষাগারে জমা নিলে এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করলে অনায়াসেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ সম্ভব। সরকারের পক্ষ থেকে যদি আমাদের দাবিগুলো পূরণ করা না হয়, তাহলে সারাদেশের দলমত নির্বিশেষে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে সংগ্রাম কমিটি গঠন করে দাবি আদায়ের জন্য বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।