শিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী চাকুরী জাতীয়করণ ঐক্যজোটের 

অভিজিৎ ব্যানার্জী, ঢাকা:   শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বার্থে চার দফা আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী চাকুরী জাতীয়করণ ঐক্যজোট। 

শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা, নিয়মিত পাঠদানে উৎসাহিত করা, শিক্ষামন্ত্রীর পাশে থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা এবং মানবিক, আদর্শিক ও মেধাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে  গতকাল ২০ জুলাই ২০২৬ রোজ সোমবার সকাল ১১ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুরুল হোসেন চৌধুরী হলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 

সংগঠনের আহ্বায়ক মাওলানা মোঃ দেলোয়ার হোসেন মুন্সীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম মিঞার সঞ্চালনায় উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম মিঞা। এছাড়াও বক্তব্য প্রধান করেন- অধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেন, অধ্যাপক এ কে এম আব্দুল আউয়াল, অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান মোল্লা, অধ্যাপক হারুনুর রশিদ গাজী প্রমুখ জাতীয় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের প্রিয় আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব প্রাজ্ঞ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। যিনি বিগত বিএনপি সরকারের আমলে নকলমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থায় মানবিক মূল্যবোধ জ্ঞানচর্চা, সন্ধ্যা হলেই ঘরে বসে লেখাপড়া করার পুরনো ঐতিহ্য, আমাদের চিরায়ত গৃহপাঠ সংস্কৃতি চালু ও শিক্ষাকে আর্ন্তজাতিক মানে উন্নীত করার বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার শুভ সূচনা করেছেন। তা ব্যাহত করার লক্ষ্যে স্বার্থান্বেষী মহল সুকৌশলে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ভূল বুঝিয়ে এবং কিছু অছাত্র ও ছাত্র নামধারী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা ভাংচুর, রাস্তা-ঘাট অবরোধ, যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করিয়েছে এবং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি তুলে ’৭১ এর পরাজিত শক্তি, ২৪ পতিত শক্তি।

শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পিরোজপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন- নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণ, এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর বয়স ৬৫ বছর করণ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সম্ভব নয়। তিনি তার মতের পক্ষে ২টি যুক্তি উত্থাপন করেন ১। যেহেতু মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছরের অধিক সেহেতু শিক্ষকদের অবসর বয়স ৬৫ বছর করা যুক্তিযুক্ত। ২। অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখার জন্য অবসর বয়স ৬৫ করা যুক্তিযুক্ত। এছাড়াও তিনি মানসম্মত শিক্ষার জন্য নন-এমপিও ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করনের জোর দাবী উত্থাপন করেন।

More From Author

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন – ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ

দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের প্রশাসনিক কার্যালয় পাগলা মৌজায় স্থাপনের দাবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

No comments to show.