হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে ওমরার সুযোগ পেলেন রাতুল

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুরআনের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো কিশোরগঞ্জে হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এবং তানযিমুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বৃহত্তর মোমেনশাহী অঞ্চল)-এর আয়োজনে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় সকাল ৮ ঘটিকা হতে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। দ্বিতীয় অধিবেশন ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ চত্বরে দুপুর আড়াইটায় শুরু হয়। রাত সাড়ে নয়টায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার সমাপ্তি হয়।

আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা শুয়াইব আব্দুর রউফ এবং জামিয়া ইমদাদিয়ার মুদাররিস মাওলানা আবু তৈয়বের যৌথ সঞ্চালনায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাওরান বাজার আম্বার শাহ জামে মসজিদের খতীব হাফেজ মাওলামা মাজহারুল ইসলাম।

পুরস্কার বিতরণ করেছেন কিশোরগঞ্জ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার মুহতামিম ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদের মুতাওয়াল্লি মাওলানা শাব্বির আহমাদ রাশিদ, জামিয়া ইমদাদিয়ার মুহাদ্দিস ইমদাদুল্লাহ, জামিয়া ইমদাদিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা লুৎফর রহমান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামিয়া ইমদাদিয়ার উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগের উস্তাদ মুফতি সুহাইল আহমাদ, জামিয়া ইমদাদিয়ার সহকারী মুফতি রহমাতুল্লাহ, জামিয়া ইমদাদিয়ার মুদাররিস মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, জামিয়া ইমদাদিয়ার মুদাররিস মাওলানা আব্দুল মতিন, মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা আজহারুল ইসলাম, মাওলানা আবুল কাশেমসহ কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শতাধিক উলামায়ে কেরাম।

প্রতিযোগিতায় ৩০ পারা গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করে পবিত্র উমরা নিজের করে নেন তাহফিজুল কোরান নূরানী মাদরাসা নগুয়া ভাওয়ালিয়া বাড়ি কিশোরগঞ্জের ছাত্র লুকমান মোস্তফা রাতুল। প্রতিযোগিতায় যথাক্রমে ৫ পারা, ১০ পারা, ২০ পারা এবং ৩০ পারা গ্রুপে ৯শত ৭৮ জন প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে ঢাকা থেকে আগত হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন এর ৪২ জন বিচারকদের বিচার কার্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে ৩০ পারা গ্রুপের প্রথম স্থান অর্জনকারীক পুরস্কার হিসেবে পবিত্র ওমরার সুযোগসহ অন্যান্য প্রত্যেক গ্রুপের প্রথম ১৫ জন করে ৬৫ জন বিজয়ীদেরকে কয়েক লক্ষ টাকার পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে একটি সুদৃশ্য মগ প্রদান করা হয়। কয়েক হাজার দর্শক শ্রোতা এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতাকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।