সেন্টমার্টিনে ট্রলার ডুবি, এ পর্যন্ত যা জানা গেল

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ২০ জনের মরদেহ। এছাড়া ৬৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে অনেকে। ১৩ জনের লাশ সেন্টমার্টিন দ্বীপে আনা হয়েছে। সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোস্টগার্ডের তিনটি দল, সেন্ট মার্টিন বোট মালিক সমিতি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা জানান, সোমবার রাতে দালালদের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির থেকে টেকনাফ উপকূল দিয়ে দুটি ট্রলার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে সাগরের পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একটি ট্রলার ডুবে যায়।

সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার শফিকুল ইসলাম বলেন, গত রাতে সেন্টমার্টিনের ২ কিলোমিটার পশ্চিমে ১২০ রোহিঙ্গা নিয়ে একটি মালয়েশিয়াগামী ট্রলার বিকল হয়ে পড়ে। বিকল ট্রলারটি আস্তে আস্তে পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে সেন্টমার্টিনের কোস্টগার্ড আজ ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করে।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সেই সময় ৫০ রোহিঙ্গাকে জিবিত উদ্ধার করা হয়। ১৩ জনের মরদেহ ও আহত ৫০ জনকে সেন্টমার্টিনের ঘাটে আনা হয়েছে।’

নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানান সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার শফিকুল।