ভূমিদস্যুর কবলে মুক্তিযোদ্বার সন্তান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

জায়েদুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, একুশ আমার ডট কমঃ
কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেন সরকারের ছেলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরী মোজাম্মেল হক সরকার আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

আমি একজন অসহায় ও নিরীহ আমার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সে সরকারি চাকুরিজীবি। তার নামে তিন শতাংশ জমি রয়েছে নোয়াপাড়া গ্রামে। গ্রামের প্রভাবশালী নানাবিধ অপকর্মের হোতা ভূমি দস্যুরা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের যোগসাজশে আমার পরিবারের জায়গাটি জোর পূর্বক দখল করে নেওয়ার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। উপজেলার হাসিমপুর মৌজার বিএস ৩৯৫ জমিতে জোর পূর্বক ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে আমার গ্রামের ভূমি দস্যু আব্দুল হাসিম সরকারের তিন ছেলে রেজাউল করিম, নাসির সরকার, জসিম সরকার ও নুরু সরকারের ছেলে আনোয়ার হোসেন সরকার, আনোয়ার হোসেন সরকারের ছেলে আমীর হোসেন সরকার এবং খারঘর গ্রামের কুদ্দুসের ছেলে কবির সরকার দীর্ঘদিন ধরে মাটি উত্তোলন করে আসছে।

এব্যাপারে আমি কসবার ইউএনও, এসিল্যান্ড বরাবর অভিযোগ করেও কোনো সদোত্তর পাইনি। পাশাপাশি কসবা থানায় সাধারণ ডায়েরি করলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি থানা পুলিশ। থানায় ডায়েরি করার পর ভূমি দস্যুরা আমার উপর চড়াও হয়ে অমানুষিক নির্যাতন ও মারপিট শুরু করে। পরবর্তীতে আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ আদালত আমার মোকদ্দমাটি আমলে নিয়ে কসবা থানার ওসিকে এফ আই আর নির্দেশ দেন৷ ওসি মামলাটি এফ আই আর করে তদন্ত ভারের দায়িত্ব দেয় সাব ইন্সপেক্টর রওশন জামানকে। রওশন জামান তদন্তকালে আসামীদের সাথে সখ্যতা তৈরী করে ভূমিদস্যুদের ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার সুযোগ করে দেয়।

এবং মাটি কাটা বন্ধ করতে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে এস আই রওশন জামান অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মাটি কাটা বন্ধ হবে না বলে আমাকে হুমকি দেয়। থানায় মামলা রজু হওয়ার পরেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামীকেই গ্রেপ্তার করেনি। আমি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কোনো ধরনের বিচার না পেয়ে আপনারা সাংবাদিকদের দারস্থ হয়েছি। আমি ও আমার পরিবার ভূমিদস্যু কবল থেকে বাচতে আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।