নতুন সিরিজ না পেলে বাজারে মিলবে না জিপি সিম

খুব শিগগিরই গ্রামীণফোনের (জিপি) সিম শেষ হয়ে যাবে বলে জানালেন প্রতিষ্ঠানটির নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান। সোমবার রাজধানীর জিপি হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাদের কাছে এখন কোনো সিম নেই। বাজারে থাকা জিপি সিম এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এর আগেই নতুন সিরিজ না পেলে বাজারে জিপি সিম পাওয়া যাবে না।

ইয়াসির আজমান জানান, যাত্রা শুরুর পর থেকে সরকারের কোষাগারে প্রতিষ্ঠানটি ৭৫,৪৫০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি ৮,৫০০ কোটি টাকা জাতীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি এর আয়ের প্রতি ১শ’ টাকার মধ্যে ৫৯.২ টাকা কর, ভ্যাট, শুল্ক, লাইসেন্স ফি, বেতার তরঙ্গ ফি ও রাজস্ব হিসেবে সরকারকে দিয়েছে।

ইয়াসির আজমান আশংকা প্রকাশ করে বলেন, নতুন সিরিজ না পেলে বাজারে অচিরেই গ্রামীণফোনের সিমকার্ড সংকট শুরু হতে পারে। এ সংকট শুরু হলে সিমকার্ডের দাম বেড়ে যাবে এবং সিমকার্ড প্রতিস্থাপন কাজ ব্যহত হবে।

ইয়াসির আজমান জানান, যোগাযোগ প্রযুক্তির অংশীদার হিসাবে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম বির্নিমানের মাধ্যমে সহজ ও শক্তিশালী সমাধান উদ্ভাবন করে ডিজিটাল সেবার সর্বোচ্চ সুবিধা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে গ্রামীণফোন।

তিনি আরও জানান, গ্রামীণফোনের সর্বমোট গ্রাহকের ৫৩ দশমিক ১ শতাংশ ইতিমধ্যেই ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করছেন যেটি সামনে আরও বৃদ্ধি পাবে। ইন্টারনেট ব্যবহাবের বৃদ্ধির এই হার গ্রামীনফোনের জন্য একদিকে অনুপ্রেরনামূলক অন্যদিকে অনেক বড় দায়িত্ব। শুরু থেকেই সময়োপযোগী ও কৌশলগত বিনিয়োগ ধারাবাহিকতার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক আধুরিকায়ন কাজ করে চলেছে গ্রামীনফোন। 

এরই ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিত বিনিয়োগ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ফোরজি ও এলটিই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করে আইওটি এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ত্বরান্বিত করতে গ্রামীণফোন আইসিটি পোর্টফোলিও শক্তিশালীকরণে কাজ করছে। পাশাপাশি গ্রামীণফোন ইউনিসেফের সাথে যৌথভাবে নয় লাখ শিক্ষার্থীকে নিরাপদ ইন্টারনেট সম্পর্কে ইতিমধ্যে সচেতন করেছে। ইয়াসির আজমান বলেন, শিক্ষার্থীদের এ সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে দেশজুড়ে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে সহায়তা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।