দুধ খাওয়া বন্ধ করলেই বিপদ!

বেশীরভাগ মানুষ গরুর দুধ খাওয়া অনেক বেশি পছন্দ করেন। ছোটকাল থেকেই আমরা দুধের উপকারিতা সম্পর্কে অনেক গুণাগুণ শুনে এসেছি। কিন্তু আসলেই কি সব সত্যি? দুধ পান করলেই কি ত্বক ফর্সা হয়? আমাদের হাড় মজবুত করার পেছনেও কি দুধের উপকারিতা রয়েছে? আসুন জেনে নেয়া যাক, এই বিষয়ে সঠিক তথ্য-

১. শক্তিশালী হাড়:
আমরা ছোটকাল থেকে শুনে আসছি, দুধ না খেলে হাড় মজবুত হয় না। কিন্তু ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেশি দুধ পান করলে হাড়ে ফ্রাকচার হবার সম্ভাবনা প্রবল। তাই বলা যেতে পারে যে, হাড় শক্ত করার জন্য আপনার প্রতিদিন দুধ খাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।

২. ক্যালসিয়ামের অভাব থাকে না:
শুধুমাত্র দুগ্ধজাত খাবারে ক্যালসিয়াম থাকে, এই চিন্তা করাটাও একটা ভুল ধারণা। কারণ আপনি যদি বিভিন্ন ধরণের ফল খান এবং সবুজ শাক-সবজি খাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের বাদাম ও খান তাহলে এতেই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হবে।

৩. পেটে ব্যাথা দূর করে:
ঘরোয়া চিকিৎসার মাঝে অন্যতম হল দুধ। কারও পেটে ব্যাথা না কমলেই খেতে হবে দুধ, কিন্তু এতে কি আসলেই কাজ হচ্ছে? দুধে ল্যাকটোজ নামের এক উপাদান রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা করতে পারে। আপনার যদি হজমে সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে দুধ খেলে সমস্যার কোন সমাধান হবে না।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ:
দেহের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে দুধ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। অনেকেরই ধারণা দুধ খেলে দেহের ওজন বাড়বে। যদিও বিষয়টি কিছুটা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করলে দেহের ওজন কমানো সম্ভব। এ জন্য কম ফ্যাটযুক্ত স্কিমড দুধ পান করতে হবে। এ ছাড়া দুধে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ থাকায় অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবার কম করে খেতে হবে। এতে দেহের ওজন কমানো যাবে।

৫. ত্বক সুন্দর হবে:
অনেকের ধারণা দুধ পান করলেই ত্বক সুন্দর ও ফর্সা হয়। কিন্তু এক্সপার্টদের মতে, আপনার ত্বকে এলার্জিক কোন সমস্যা হয়ে থাকলে দুধ পান করা বাদ দিন। এরপরে নিজেই পার্থক্য বুঝে নিন।-সূত্রঃ টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া।