ওজন কমান ফল খেয়েই

বাড়তি ওজন সবার জন্যই একটা দারুণ সমস্যা। ওজন কমানোর জন্য একেক জনের কাছে একেক রকম সমাধান। কেউ খাওয়া দাওয়া করেন হিসেব করে কেউ, আবার কেউ একেবারেই খাওয়া কমিয়ে দেন। তাই কিছু বিশেষ ফল আছে যেগুলো পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত গ্রহণ করলে পাওয়া যেতে পারে কাঙ্ক্ষিত ফল।

ফল খাওয়ার গুণাগুণ অনেক। এক ফলেই আপনার শরীরে ঢুকবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, পুষ্টি, ফাইবার। দেহের অতিরিক্ত ওজন ঝরাতেও ফলের জুড়ি মেলা ভার।

কোন কোন ফলে ওজন কমবে তাড়াতাড়ি? জেনে নিন-

– স্ট্রবেরি: ওজন কমানোর ফলের মধ্যে স্ট্রবেরি অন্যতম। এই ফলে প্রচুর নিউট্রিশনের সঙ্গে রয়েছে অল্প মাত্রায় ক্যালোরি। এছাড়াও প্রতিদিন যে পরিমাণ ফাইবার দরকার তা স্ট্রবেরিতে পর্যাপ্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়াও, ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম রয়েছে।

– নাসপাতি: ভিটামিন সি’র অন্যতম বড় একটি উৎস নাশপাতি। ওজন কমানোর জন্য অনেকের কাছে প্রথম পছন্দের ফলও এটি। ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘ সময়ের জন্য পেটে থাকে। হজম হয় ধীরে ধীরে। এ ছাড়াও শরীরের কোলেস্টেরল মাত্রা ঠিক রাখার জন্য পরিচিত ফল হচ্ছে নাশপাতি।

– কলা: অনেকেই ভাবেন কলা মানেই ফ্যাট। কিন্তু ওজন কমাতে কলা খুব সাহায্য করে। কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, ফাইবার। রয়েছে রোগ প্রতিরোধী শ্বেতসার। যা আসলে দেহের অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে তাই নয়।

– আপেল: যে ওজন কমাতেও অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাবার এটি অনেকেই জানেন না। একটি আপেলে ৪-৫ গ্রাম ফাইবার থাকে। তা ক্ষুধার উদ্রেক কমায়। এবং শরীরে জমে থাকা ফ্যাট কাটতে সাহায্য করে।

– ক্যাপসিকাম: ক্যাপসিকামে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন সি খুব সহজে ও খুব দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে। লাল, হলুদ কিংবা সবুজ যে কোন ধরণের ক্যাপসিকাম খেতে পারেন রান্নায় ব্যবহার করে। সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে সালাদে ক্যাপসিকাম খাওয়া। ওজন কমতে বেশ সাহায্য করবে।

– আম: আম খাওয়ার ফলে ওজন কমে এবং ডায়েট থেকে বেশি সুবিধা পায়। এতে অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি আছে ম্যাঞ্জিফেরিন যা শরীরের ফ্যাট কমায় এবং ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে। এক কাপ কাটা আমে আছে ১০০ ক্যালোরি এবং ৩ গ্রাম ফাইবার।