আজহারীকে পিতার উত্তরসূরী বললেন সাঈদীপুত্র

আজহারীকে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর উত্তরসূরী বলে উল্লেখ করলেন সাঈদীপুত্র মাসুদ সাঈদী। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজহারীর সঙ্গে তার সাক্ষাতের একটি ছবি প্রকাশ করে এই দাবি করেন মাসুদ। মাসুদের স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘হক্বের পথে থাকলে, হক্ব কথা বললে বাঁধা আসবে সে তো জানা কথা। তবে বাঁধাটা এতো দ্রুত আসবে সেটা ভাবিনি। তবে এটাতো আপনার জন্য বড়ই সৌভাগ্যের বিষয়। আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানীতে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে মানুষের যে ভালবাসা আপনি পেয়েছেন সত্যিই তা বিরল। মন বলে, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে কবুল করে নিয়েছেন। আপনার চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তে যদিও আপনাকে মিস করবে অসংখ্য অগণিত মানুষ তথাপি সকলের জন্যই সান্তনার বিষয়ও আছে। হয়তো আপনি সাময়িক চোখের আড়ালে থাকবেন, কিন্তু আপনার কন্ঠ এখন ছড়িয়ে গেছে সর্বত্র। আপনি পৌঁছে গেছেন বাংলার ঘরে ঘরে।

হক্ব কথা বলার কারনে ওরা আল্লামা সাঈদী মতো বিশ্বনন্দিত কোরআনের দাঈকেও আজ ১০টি বছর যাবত কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। ওরা আল্লামা সাঈদীকে জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ ওরা তা পারেনি। বরং আল্লামা সাঈদীর প্রতি বিশ্বব্যাপি মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা শতকোটি গুন বেড়ে গেছে। এটা আর কিছু নয়, কোরআনের পাখির প্রতি মানুষের এই ভালবাসা শুধুই আল্লাহর জন্য, কোরআনের জন্য। আপনারা যারাই আজ কোরআনের হক্ব কথাগুলো মানুষকে বলছেন, মানুষকে দ্বীনের পথে দাওয়াত দিচ্ছেন তাদের মাঝে মানুষ আল্লামা সাঈদী হাফেজাহুল্লাহকে খুঁজে পায়। আপনাদের প্রতিটি কথা ও কাজ তারা আল্লামা সাঈদীর সাথে মিলিয়ে নেয়। আল্লামা সাঈদীর উত্তরসূরী হিসেবে দেশের মানুষ আপনাদেরকেই বেছে নিয়েছে। মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা) থেকে শুরু করে যুগে যুগে সত্যপন্থীদের দমাতে ইসলামী আন্দোলনের বিরোধীরা তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নামের ট্যাগ লাগিয়েছে। সেই মহাসত্যের ঝান্ডাবাহী হিসেবে আপনাদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামের ট্যাগ লাগানো হচ্ছে।

তাতে কি! জনতার হৃদয়ের মনিকোঠায় আপনারা ছিলেন, আপনারা আছেন, আপনারা থাকবেন ইনশাআল্লাহ। তাই..
চলে যাওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়
চলে যাওয়া মানে চিরস্থায়ী বিচ্ছেদ নয়
চলে যাওয়া মানে কোনো অধ্যায়ের পরিসমাপ্তিও নয়
চলে যাওয়া মানে সকল বন্ধন ছিন্ন করাও নয়
এ যাওয়া বড়ই সাময়িক..’